৭টি বিষয় যা কখনোই সহকর্মীকে বলতে নেই

2016-02-17 by  

সহকর্মী হতে পারে আপনার বন্ধু এবং আরো কাছে কেউ। সহকর্মীদের সঙ্গে মানুষের দারুণ ভাব হতে পারে। কারণ দিনের বড় একটা সময় অফিসেই কাটে মানুষের। কাজেই এরা আপনার জীবনের অনেকটা অংশ জুড়ে থাকতে পারেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, তারপরও সহকর্মী মূলত আপনার করপোরেট সহযোগী বা প্রতিযোগী। তাই বিশেষ ক্ষেত্রে দুজনের মধ্যে দেয়াল থাকা উচিত। কারণ ভাব যতই হোক, এটা পেশাদার সম্পর্ক। কর্মক্ষেত্রে সম্পর্কবিষয়ক বিশেষজ্ঞ জয়দীপ হর জানান, আধুনিক যুগে কর্ম ও ব্যক্তিগত জীবনের মধ্যকার দেয়াল ক্রমেই ঘোলাটে হয়ে যাচ্ছে। তারপরও বেশ কয়েকটি বিষয়ে দেয়াল থাকা ভালো। এতে অফিসে সবার সঙ্গে স্বাস্থ্যকর সম্পর্ক বিরাজ করবে।

১. যৌনজীবন-সংক্রান্ত কোনো কথা সহকর্মীদের সঙ্গে বলা উচিত নয়। কোনোভাবে তা সত্যিকার বিপদ ডেকে আনতে পারে। কারণ এ যুগে কর্শক্ষেত্রে যৌন নিপীড়ন বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। কোনো অভিযোগ ছাড়াই তার সম্পর্কে বাজে ধারণার সৃষ্টি হতে পারে যিনি নিজের যৌনজীবনটাকে সহকর্মীদের কাছে উন্মুক্ত করে দিয়েছেন।

২. অফিসের কোনো কর্মী বা দলকে তাদের দায়িত্বশীলতার বিষয় নিয়ে কোনো কটু মন্তব্য করা উচিত নয়। এ ধরনের কটূক্তিতে বড় বিপদ চলে আসতে পারে।

৩. অফিসে গুজব রটানো বা গসিপের জন্ম দেওয়া খুবই বাজে কাজ। যারা গসিপের জন্ম দেন তাদের অকর্মন্য বলে মনে করেন অন্যান্যরা।

৪. কোনো কর্মীর উচিত নয় একজন কর্মকর্তার কাছে অন্য কর্মকর্তার বিষয়ে কুৎসা রটানো। এতে তার সততা ও কর্ম আদর্শ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।

৫. কোনো সহকর্মী বা ক্রেতা যদি কারো সঙ্গে রুক্ষ আচরণ করেন তবে সাবধানে খেয়াল করতে হবে ওই ব্যক্তি প্রতিক্রিয়ায় কেমন আচরণ করছেন। আবার ক্রেতার সঙ্গে সহকর্মীর উপস্থিতিতে এমন আচরণ করা উচিত নয় যা তিনি কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ আকারে উত্থাপন করতে পারেন।

৬. সবার জীবনে বড় ধরনের কিছু ভুল থাকে। এগুলো একান্তে নিজের কাছে রাখতে হয়। একজন সহকর্মীর কাছে কখনোই নিজের জীবনের বড় কোনো ভুলের কথা বলতে নেই।

৭. ব্যক্তিগত জীবনে ঘটে যাওয়া কোনো দুর্ঘটনার কথা তুলে ধরতে নেই সহকর্মীর কাছে। এগুলো গোপন করেই রাখতে হয়। কারণ আপনার সম্পর্কে অযথাই ভুল ধারণার সৃষ্টি হতে পারে।
সূত্র : টাইমস অব ইন্ডিয়া